৪ পৌষ ১৪২৪
 
শিরোনামঃ
জেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক টিপুর ভাই আজিম মোল্লা গুলিবিদ্ধ : আশংকাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি   |  পাবনার কৃতি সন্তান সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক পদে দ্বিতীয় বারের মত নির্বাচিত   |  সুজানগর উপজেলা জাতীয়তাবাদী বন্ধুদলের কার্যকারী নির্বাহী কমিটির অনুমোদন   |  বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ইঞ্জিঃ আব্দুল আলীমের ছবি সংবলিত বিলবোর্ড ভাংচুরের প্রতিবাদে ভাঙ্গুড়ায় বিক্ষোভ   |   বিপুল পরিমান মাদক দ্রব্য সহ এক মাদক বব্যসায়ী গ্রেফতার  |  অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুদকের দুই সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধান কমিটি গঠন  |  সাঁথিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যাক্তির মৃত্যু   |  ঈশ্বরদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ পালিত   |  সুজানগরে দ্বিতীয় শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে এক পৌঢ় আটক  |  খাদ্যে ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে---- জেলা প্রশাসক   |  ঈশ্বরদীতে বিদেশী পিস্তল, রিভলবার, বিপুল পরিমান গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্যসহ দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার  |  সাঁথিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ছাত্রলীগ সভাপতিসহ আহত-৩  |  চাটমোহর রেলস্টেশনের বুকিং সহকারি মাতাল অবস্থায় গাঁজা সহ আটক  |  ভাঙ্গুড়া উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি ও সেক্রেটারিসহ ৪ শিবির নেতা-কর্মী গ্রেফতার  |  নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার   |  সুজানগরে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল স্কুল ছাত্রী কেয়া  |  সাংবাদিক এবিএম ফজলুর রহমান পাবনা চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক নির্বাচিত  |  পাবনার সাঁথিযায় অবৈধ দোকান ঘর উচ্ছেদ :সরকারি জমি উদ্ধার  |  এডভোকেট রবিউল করিম রবি বিচারপতি সৈয়দ আমীর আলী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনিত  |  রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে মানববন্ধন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ  |  

সর্বশেষ

শিক্ষা ব্যবস্থায় ফের নতুন পদ্ধতি

Nov 1, 2017, 10:41:18 AM

শিক্ষা ব্যবস্থায় ফের নতুন পদ্ধতি


ছাত্রছাত্রীদের গিনিপিগ বানিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার পরীক্ষা-নিরীক্ষা অব্যাহত । পাঁচ বছরে কারিকুলাম একবার ও পাঠ্যবই পাঁচবার পরিবর্তন-পরিমার্জন হয়েছে। পরীক্ষা পদ্ধতি পাল্টানো হয়েছে কয়েকবার । দেড় দশকে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন পদ্ধতিও বদলেছে তিনবার । এ ছাড়া মাত্র চার বছরের মধ্যে ফের কারিকুলাম এবং এক বছরের মধ্যে পাঠ্যবই পরিবর্তন কারিকুলাম, পাঠ্যবই ও পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তন । শুধু কারিকুলাম, পাঠ্যবই আর পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিই নয়, শিক্ষার অন্যান্য দিকেও ঘন ঘন কাটাছেঁড়া চলছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্পে এক শ্রেণীর আমলা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক বিদেশ ঘুরে আসছেন । দেশে ফিরে জাতীয় পরিবেশ-পরিস্থিতি এবং আর্থসামাজিক দিক বিবেচনায় না নিয়ে বিদেশ সফরের লব্ধ জ্ঞানের আলোকে তৈরি নতুন পদ্ধতি চাপিয়ে দিচ্ছেন । ফলে বিদেশ থেকে ধার করা ওইসব পদ্ধতি অনেক সময় ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে । অসঙ্গতি ধরা পড়লেও অনেক ক্ষেত্রে তা টেনেহিঁচড়ে ছয়-সাত বছর চালু রাখতে দেখা যায় । যদিও নয়া সৃজনশীল পদ্ধতি বহুল সমালোচনার পরও ধরে রাখা হয়েছে । কোনো ক্ষেত্রে সমালোচনার মাত্রা বাড়লে একপর্যায়ে তা বাতিল করা হয় । পরিবর্তে ফের চালু হয় নতুন কোনো পদ্ধতি । এভাবে ঘন ঘন এই পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষার্থী-অভিভাবক এবং বেশিরভাগ শিক্ষকই খাপ খাওয়াতে পারেন না। এতে বিপাকে পড়েন শিক্ষার সঙ্গে জড়িত সবাই। ফলে খুঁড়িয়ে চলে লেখাপড়া । জোড়াতালির ক্লাস কার্যক্রমের ক্ষতি পোষাতে শিক্ষার্থীকে হতে হয় কোচিং আর প্রাইভেটমুখী । ১৯৯৬ ও ২০১২ সালের পড়ে ২০১৭ সালে কারিকুলাম পরিবর্তন হচ্ছে । পাঠ্যবইও নতুন হয়েছে দু’বার । পাঠ্যবইয়ে মাঝখানে যা হয়েছে তা শুধু ইতিহাস বিকৃতি । সেটা একটা বড় কাজ ছিল । এখন কারিকুলাম ও পাঠ্যবই পর্যালোচনা চলছে । প্রত্যেক দেশেই নির্দিষ্ট সময় পর এটা করা হয় । শিক্ষায় মৌলিক পরিবর্তন এনেছে সৃজনশীল পদ্ধতি । ছাত্রছাত্রীদের সৃজনশীল, চিন্তাশীল এবং স্বাধীনভাবে লেখার সক্ষমতা তৈরির জন্যই এটি আনা হয়েছে । এটি বাস্তবায়নে সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে ।

কারিকুলাম ও পাঠ্যবই : ২০১০ সালে সরকার শিক্ষানীতি তৈরি করে । এর আলোকে ২০১২ সালে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের কারিকুলাম তৈরি করা হয় । এর আগে ১৯৯৬ সালে কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছিল । নতুন কারিকুলামের আলোকে ২০১৩ সালে শিশুদের হাতে তুলে দেয়া হয় পাঠ্যবই । ২০১৪, ২০১৫, ২০১৬ এবং চলতি বছরও এসব বই পরিমার্জন-পরিবর্তন হয়েছে । অনেকেরই অভিযোগ- হেফাজতে ইসলামের দাবি আমলে নিয়ে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে । এর আগে ২০০২, ২০০৭, ২০০৯ ও ২০১০, সালে পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন আনা হয় । এদিকে ২০১২ সালের কারিকুলামের আলোকে স্বাস্থ্য ও শারীরিক শিক্ষা, চারু ও কারুকলা, ক্যারিয়ার শিক্ষা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নামে কয়েকটি নতুন পাঠ্যবই প্রবর্তন করা হয় । অন্যান্য বিষয়ের মতো এগুলোতেও অধ-বার্ষিক,বার্ষিক, জেএসসি, এসএসসি পরীক্ষা হচ্ছিল । নতুন কারিকুলামের অধীনে প্রবর্তিত নতুন বিষয় নিয়ে শোরগোল ওঠে । বিশেষ করে জেএসসি-এসএসসি পর্যন্ত স্বাস্থ্য ও শারীরিক শিক্ষা, চারু ও কারুকলা, ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা নেয়ার প্রশ্নে আপত্তি তোলেন বিশেষজ্ঞরা । এ কারণে গত ২২ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক ২০১৭ সালের পাবলিক পরীক্ষা থেকে বিষয়গুলো তুলে নেয়া হচ্ছে । এখন এগুলো ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে স্কুল-মাদ্রাসা পর্যায়ে মূল্যায়ন করা হবে । আগামী বছর (২০১৮) জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় আরও কয়েকটি বিষয় বাদ দিয়ে কেবল মূল বিষয় গুলোর ওপর পাবলিক পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় । পর্যাক্রমে (২০১৯) সালে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা থেকেও বেশ কিছু সংখ্যক বিষয় বাদ দিয়ে মূল বিষয় গুলোর ওপর পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহন করা হচ্ছে । এদিকে আইসিটি বিষয় চালু করলেও জোড়াতালি দিয়ে চলছে এ শিক্ষা । এ প্রসঙ্গে জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য অধ্যাপক মশিউজ্জামান বলেন, সারা বিশ্বেই প্রতি ৫-৭ বছর পরপর কারিকুলাম পরিবর্তন করা হয়ে থাকে । ২০১২ সালে যখন এই কারিকুলাম প্রবর্তন করে তখনই ২০১৭ সালে এটি পর্যালোচনার কথা হয়েছিল ।
পরীক্ষা পদ্ধতি : গত দেড় দশকে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন পদ্ধতিও অন্তত তিনবার পরিবর্তন করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে- গ্রেডিং পদ্ধতি, এসবিএ (স্কুলভিত্তিক মূল্যায়ন) ও সিএ (ধারাবাহিক মূল্যায়ন) ২০০৭ সালে এসবিএ চালু করতে গেলে এক শ্রেণীর শিক্ষকের দুর্নীতিতে হোঁচট খায় । এ পদ্ধতি অনুযায়ী শিক্ষক স্কুলেই শিক্ষার্থীকে মূল্যায়ন করে নম্বর দেবেন । তখন শিক্ষকরা এ পদ্ধতিকে অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে নেন । পরে সমালোচনার মুখে এক বছরেই তা স্থগিত করা হয় । এখন ধারাবাহিক মূল্যায়নের নামে এ পদ্ধতিই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যা স্বাস্থ্য ও শারীরিক শিক্ষা, চারু ও কারুকলা, ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের মাধ্যমে চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে ।

  সৃজনশীল পদ্ধতি : শিক্ষা পদ্ধতিতে এযাবৎকালের সবচেয়ে ওলটপালট করা পরিবর্তনের নাম ‘সৃজনশীল ব্যবস্থা’। সনাতনী পদ্ধতিতে পাঠ্যবইয়ের আলোচনা শেষে প্রশ্ন থাকত । শিক্ষার্থীরা পাঠ থেকে সেই প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ করে লিখত । মুখস্থনির্ভর লেখাপড়া থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে আনা, কোচিং-প্রাইভেট ও নোট-গাইড বন্ধ করতে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করা হলেও বাস্তবে এর সবই বেড়েছে । সৃজনশীলের চতুর্থ প্রশ্নটি মুখস্থই করে লিখে থাকে শিক্ষর্থীরা । শিক্ষকরা ঠিকমতো না বোঝায় তারাও ক্লাসে ভালোভাবে পড়াতে পারছেন না । খোদ সরকারি সমীক্ষাই বলছে, ২০০৭ সালে এ পদ্ধতি চালু হলেও এ যাবত ৫৬ শতাংশ শিক্ষক এটি আয়ত্ত করতে পেরেছেন । অপরদিকে শিক্ষকরা যাতে পদ্ধতি বুঝতে পরিশ্রম করেন সে জন্য স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার প্রশ্ন বাইরে থেকে না কেনার নির্দেশনা ছিল । এ ব্যাপারে সরকার পরিপত্রও জারি করে । কিন্তু পদ্ধতি না বোঝায় অনেক শিক্ষক তা মানছেন না । বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা নেন । স্কুল-কলেজ তো বটেই, ইতি পূর্বে খোদ বোর্ড পরীক্ষায়ও গাইড বই থেকে প্রশ্ন তুলে দেয়ার ঘটনা ঘটছে । শিক্ষার্থীরা আগে এক কোম্পানির গাইড কিনলেও এখন বেশি উদ্দীপক পাওয়ার আশায় একাধিক কোম্পানির গাইড কিনছে । ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া ক্লাসরুমের পরিবর্তে চলে গেছে কোচিং সেন্টারে । শিক্ষকরা এ পদ্ধতি না বোঝায় কমার্শিয়াল কোচিং সেন্টার বিস্তার লাভ করছে । পাশাপাশি শিক্ষকদের কোচিং-প্রাইভেট বেড়েছে । শুধু শিক্ষকের মানের অভাবে আমরা সৃজনশীল পদ্ধতিটা ভালোভাবে বাস্তবায়ন করতে পারিনি । সৃজনশীল মানে পাঠ্যবইয়ের গল্পের আদলে শুধু নাম পরিবর্তন করে প্রশ্ন তৈরি নয়; সৃজনশীল পদ্ধতির কথা ছিল- পাঠের মূল স্পিরিট সামনে রেখে প্রশ্ন করা হবে ।
গলার ফাঁস এমসিকিউ : পরীক্ষায় সবচেয়ে বড় মৌলিক পরিবর্তন আসে ১৯৯১ সালে । ওই বছর এসএসসিতে চালু করা হয় ৫০ নম্বরের এমসিকিউ । বাকি ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেয়া হতো । এমসিকিউতে প্রতি বিষয়ে ৫০০টি এমসিকিউ প্রশ্ন নির্ধারণ করে দেয়া হয় । তার নাম দেয়া হয় প্রশ্নব্যাংক । সেখান থেকে প্রশ্ন করা হতো । উভয়টি মিলিয়ে তখন ৩৩ নম্বর পেলেই পাস করত পরীক্ষার্থী । ফলে এক শ্রেণীর শিক্ষার্থী রচনামূলক অংশের লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে শুধু ৫০০ এমসিকিউ মুখস্থ করেই পাস করত । এতে পাসের হার রাতারাতি বাড়লেও শিক্ষার মান পড়তে থাকে । এ অবস্থায় ১৯৯৬ সালে প্রশ্নব্যাংক তুলে দিয়ে গোটা বই থেকে এমসিকিউ করা হয় । এতেও শেষরক্ষা হয়নি । এমসিকিউ প্রশ্নের উত্তর পরীক্ষার হলে বলে দেয়ার মতো ঘটনা ঘটতে থাকে । পরে এমসিকিউর পূর্ণ নম্বর কমিয়ে ৪০ শতাংশ করা হয় । কিন্তু জেঁকে বসা দুর্নীতি বন্ধ হয়নি । ফলে চলতি বছরের এসএসসি থেকে এমসিকিউ প্রশ্ন ৩০ শতাংশ করা হচ্ছে । কিন্তু এরপরও দুর্নীতি পিছু ছাড়েনি । এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় এই প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আমাদের মনে করেদেয় ।

ইংরেজি বিষয়ের ক্লাস : দেশের বেশির ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই ইংরেজি বিষয়ের ক্লাস ইংরেজিতে পরিচালনা করা হয় না । তাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ১৭ অক্টোবর ২০১৭ এ আদেশ জারি করে স্কুল ও কলেজে ইংরেজি বিষয়ের ক্লাস ইংরেজিতেই পরিচালনা করতে হবে । তবে এ আদেশ অত্যন্ত সুন্দর ও যুগোপযোগী এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে যাঁরা ইংরেজি বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাঁদের ইংরেজি ভাষার ওপর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার । তবে এটিও খেয়াল রাখতে হবে যে সব শিক্ষককে একসঙ্গে ইংরেজিতে প্রশিক্ষণ করানো সম্ভব নয়। বিষয়টি চালু করতে বহু বছর সময় লেগে যাবে । ফলে আমরা পিছিয়ে পড়ব বহু বছর । দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশে যেসব শিক্ষক নিজেদের ইংরেজির শিক্ষক বলে দাবি করেন, তাঁদের ৯০ শতাংশ ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন না । তা ছাড়া ইংরেজির শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কিন্তু সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন মেয়াদে চলছে । তবে এ প্রশিক্ষণ কতটা কাজে লাগবে শিক্ষকদের এবং শিক্ষকরা তা শ্রেণীকক্ষে কতটা ব্যবহার করতে পারবেন সেটি একটি প্রশ্ন ।

  নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি : গত ২৭ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পাবলিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থী মূল্যায়নে ‘স্টান্ডার্ডাইজেশন’ নামে নতুন পদ্ধতির কথা প্রকাশ করেন খোদ শিক্ষামন্ত্রী । গ্রেডিং সিস্টেম বহাল রেখেই শিক্ষার্থীর ফল তৈরি করা হবে। এই পদ্ধতি অনুযায়ী, খাতায় প্রাপ্ত নম্বর সরাসরি শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে না । এ ক্ষেত্রে কোনো বিষয়ে শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর থেকে ওই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের গড় সংখ্যা দিয়ে বিয়োগ করা হবে । এরপর প্রাপ্ত ফল ওই বিষয়ে সব শিক্ষার্থীর নম্বর প্রাপ্তির তারতম্য (স্টান্ডার্ড ডেভিয়েশন) দিয়ে ভাগ করা হবে । এরপর যা আসবে সেটিই শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে । এই পদ্ধতি আনা হলে প্রতিবছর কত শতাংশ শিক্ষার্থীকে জিপিএ-৫ দেয়া হবে তা সরকারিভাবে নির্ধারণ করা হবে । এ পদ্ধতি প্রবর্তনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট ।

লেখক : খালেদা আক্তার, প্রধান শিক্ষক,দাদাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় (সেসিপ),লক্ষীকুন্ডা,ঈশ্বরদী,পাবনা। 



 
 

 
 
 
পাবনা নিউজ২৪.কম
আব্দুল হামিদ রোড, পাবনা-৬৬০০
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোন ০১৭৩৩৪৮৮৯৯৪ / ০১৭১১০১৬০১৮