১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • ১১২ Time View

শ্রীলঙ্কার জালে ৯ গোল দিয়ে সাফ মিশন শুরু

আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও নেপালের কোচ-অধিনায়ক বাংলাদেশকে সমীহ করেই তাদের প্রস্তুতি, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন। সমীহ তো করবেনই, বাংলাদেশ যে সাফ নারী অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাধারী, একই সাথে আয়োজকও।

পিটার বাটলারের দল বয়সভিত্তিক সাফ টুর্নামেন্টটির ষষ্ঠ আসর শুরু করেছে চ্যাম্পিয়নের মতোই। আজ শুক্রবার রাজধানীর বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় উদ্বোধনী ম্যাচে আফঈদা-মৌসুমীরা ৯-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। বিরতির আগে বাংলাদেশ এগিয়েছিল ৩-০ গোলে।

বড় জয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন মোসা. সাগরিকা। জোড়া গোল করেছেন মুনকি আক্তার। একটি করে গোল করেছেন স্বপ্না রানী, রূপা আক্তার, শান্তি ও শিখা।

প্রথম মিনিটেই লিড নেয় বাংলাদেশের মেয়েরা। বাম দিক থেকে নেওয়া স্বপ্না রানীর ফ্রি-কিক সরাসরি খুঁজে নেয় শ্রীলঙ্কার জাল। পাঁচ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মুনকি আক্তার।

২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর গোল করার বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার গোলরক্ষক ঠেকিয়েছেন কয়েকটা, মিস করেছেন বাংলাদেশের ফরোয়ার্ডরাও।

৩৭ মিনিটে ডান দিক থেকে শিখার ক্রস শ্রীলঙ্কার গোলরক্ষক থারুশিখা ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে না পারলে বল পেয়ে যান সাগরিকা। ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠান নাম্বার টেন।

৪৭ মিনিটে বাম দিক থেকে বদলি শান্তি মারদির ক্রসে গোল করেন মুনকি আক্তার। ৪৯ মিনিটে শিখা গোল করে ব্যবধান ৫-০ করেন। ৫৩ মিনিটে সাগরিকার গোলে ব্যবধান হয় ৬-০। ৫৮ মিনিটে পূজা দাসের ক্রসে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন সাগরিকা। এতে বাংলাদেশের ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ৭-০। ৮৫ মিনিটে রূপা আক্তারের গোলে ব্যবধান হয় ৮-০।

জাতীয় দলের চারজন আফঈদা, স্বপ্না, মুনকির ও উমেহলাকে নিয়ে একাদশ সাজিয়েছিলেন কোচ পিটার বাটলার। বিরতির পর সবাইকে বসিয়ে নতুনদের খেলার সুযোগ দেন তিনি।
তারপরও বাংলাদেশের মেয়েরা প্রাধান্য বিস্তার করে খেলে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। যদিও শেষ মিনিটে বাংলাদেশের গোলরক্ষক আর ডিফেন্ডারদের ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নিয়ে শ্রীলঙ্কা ব্যবধান কমিয়ে ৮-১ করে। ইনজুরি সময়ে শান্তি মারদির গোলে আবার ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় বাংলাদেশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

News Editor

জনপ্রিয় খবর

প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার পরাগের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন, পাবনা জাসাসের সকল নেতাকর্মীর পদত্যাগের গুঞ্জন

Update Time : ০১:২৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

শ্রীলঙ্কার জালে ৯ গোল দিয়ে সাফ মিশন শুরু

আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও নেপালের কোচ-অধিনায়ক বাংলাদেশকে সমীহ করেই তাদের প্রস্তুতি, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন। সমীহ তো করবেনই, বাংলাদেশ যে সাফ নারী অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপাধারী, একই সাথে আয়োজকও।

পিটার বাটলারের দল বয়সভিত্তিক সাফ টুর্নামেন্টটির ষষ্ঠ আসর শুরু করেছে চ্যাম্পিয়নের মতোই। আজ শুক্রবার রাজধানীর বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় উদ্বোধনী ম্যাচে আফঈদা-মৌসুমীরা ৯-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। বিরতির আগে বাংলাদেশ এগিয়েছিল ৩-০ গোলে।

বড় জয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন মোসা. সাগরিকা। জোড়া গোল করেছেন মুনকি আক্তার। একটি করে গোল করেছেন স্বপ্না রানী, রূপা আক্তার, শান্তি ও শিখা।

প্রথম মিনিটেই লিড নেয় বাংলাদেশের মেয়েরা। বাম দিক থেকে নেওয়া স্বপ্না রানীর ফ্রি-কিক সরাসরি খুঁজে নেয় শ্রীলঙ্কার জাল। পাঁচ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মুনকি আক্তার।

২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর গোল করার বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার গোলরক্ষক ঠেকিয়েছেন কয়েকটা, মিস করেছেন বাংলাদেশের ফরোয়ার্ডরাও।

৩৭ মিনিটে ডান দিক থেকে শিখার ক্রস শ্রীলঙ্কার গোলরক্ষক থারুশিখা ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে না পারলে বল পেয়ে যান সাগরিকা। ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠান নাম্বার টেন।

৪৭ মিনিটে বাম দিক থেকে বদলি শান্তি মারদির ক্রসে গোল করেন মুনকি আক্তার। ৪৯ মিনিটে শিখা গোল করে ব্যবধান ৫-০ করেন। ৫৩ মিনিটে সাগরিকার গোলে ব্যবধান হয় ৬-০। ৫৮ মিনিটে পূজা দাসের ক্রসে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন সাগরিকা। এতে বাংলাদেশের ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ৭-০। ৮৫ মিনিটে রূপা আক্তারের গোলে ব্যবধান হয় ৮-০।

জাতীয় দলের চারজন আফঈদা, স্বপ্না, মুনকির ও উমেহলাকে নিয়ে একাদশ সাজিয়েছিলেন কোচ পিটার বাটলার। বিরতির পর সবাইকে বসিয়ে নতুনদের খেলার সুযোগ দেন তিনি।
তারপরও বাংলাদেশের মেয়েরা প্রাধান্য বিস্তার করে খেলে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। যদিও শেষ মিনিটে বাংলাদেশের গোলরক্ষক আর ডিফেন্ডারদের ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ নিয়ে শ্রীলঙ্কা ব্যবধান কমিয়ে ৮-১ করে। ইনজুরি সময়ে শান্তি মারদির গোলে আবার ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় বাংলাদেশ।